খামারবাড়ির পূজামন্ডপে দেশের প্রথম রোবটিক প্রতিমা!

২১ অক্টোবর, ২০২৩ ১৬:১৪  

এবার সনাতন হিন্দুধর্মালম্বীদের প্রতিমাতেও যুক্ত হলো প্রযুক্তি। চলমান দুর্গোৎসবে স্বরস্বতি, লক্ষ্মী, কার্তিক ও গণেশের সঙ্গে থাকা দুর্গার মাথায় ব্যবহৃত হয়েছে রোবটিক সেন্সর এবং হাত। আর রোবটিক দুর্গার প্রতিমাকে দেখতে তাই দেশ-বিদেশ থেকে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে স্থাপিত অস্থায়ী পূজামন্ডপে ভিড় করছেন অনেকেই।

মন্ডপে দেখা গেলো, অসময়ে মহিষাসুর অসুর অর্থাৎ দেবদ্রোহীকে সামনের রোবটিক হাত দিয়ে ত্রি-শূলে বধ করছেন দুর্গার রোবটিক প্রতিমা। এসময় শোনা যায় আত্মনাদ ও আর চিৎকারের শব্দ। অসুর বিনাশ করে সন্তানের কল্যাণ বিধানে দুর্গার কণ্ঠ থেকে ভেসে আসে ‘..যুগে-যুগে আমি আবিভূত হই অসুর বধে..’।

চলছে দুর্গা পূজা। স্মার্ট বাংলাদেশের লক্ষ্যে সেখানেও যুক্ত হয়েছে পরিবেশ বান্ধব উপকরণ আর রোবটিক প্রযুক্তি। বাংলাদেশে প্রথম এই কাজটি করে দেখালো খামারবাড়ির পূজামন্ডপ কমিটি।

বাংলাদেশের কোনো মন্দির বা পূজামন্ডপে প্রযুক্তির এমন ব্যবহার এবারই প্রথম। আর এই কাজটা করেছেন বুয়েটের যন্ত্রপ্রকৌশল অনুষদের অধ্যাপক বিভূত রঞ্জন দাসের নেতৃত্বে একটি দল। এই দলের অন্যতম সদস্য একই অনুষদের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী স্বরূপ চন্দ। তারই বাবা সনাতন সমাজকল্যাণ সংঘ সভাপতি এবং এই মন্ডপের সভাপতি কৃষিবিদ সমীর চন্দ জানিয়েছেন, স্মার্ট বাংলাদেশ রূপকল্পকে ধারণ করেই গত তিন মাস আগে বুয়েট শিক্ষকের নেতৃত্বে এই প্রতিমাটি বানানোর কাজ শুরু করেছিলেন তার ছেলেসহ বুয়েটের কয়েকজ শিক্ষার্থী।

তিনি বলেন, শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টায় বোধনের পর খুলে দেওয়া হয় তাদের মণ্ডপ। এরপর থেকেই রোবটিক দুর্গাকে দেখতে দেশের বাইরে থেকেও অনেকে ভিড় করছেন। কোলকাতা, বারাসত সহ প্রতিবেশী দেশের অনেকে সনাতন হিন্দু এই আয়োজন দেখে মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন।